Thursday, July 2, 2009

প্লেন ভেঙ্গে জলের উপর ভেসে ছিলেন বাহিয়া......



নাম বাহিয়া বাখারি, বয়স ১৩, নিবাস মার্সেই। পরিচয় কাসিম বাখারির মেয়ে। এটাই কি এখন তার একমাত্র পরিচয়? না! মৃত্যুপুরী থেকে বিস্ময়কর ভাবে ফিরে আসার পর সে এখন সংবাদ শিরোনামে, ভিন্ন এখন তার পরিচয়-ও।
এই বিস্ময়কর ঘটনাটির মূলে রয়েছে এক বিমান দুর্ঘটনা। উল্লেখ্য, গত বুধবার ইমেনিয়া এয়ারওয়েস এর এয়ারবাস A৩১০ মরোনি বিমানবন্দরে নামার পূর্বমুহুর্তে ভেঙ্গে পড়ে। বাকি ১৫২ জন যাত্রী রক্ষা না পেলেও শরীরে কোন আঘাত ছাড়াই বেঁচে যায় এই তরুণী। সে এখন হয়ে উঠেছে রহস্যময়ী এবং তার বাঁচবার এই ঘটনাও এখন সবার কাছে রহস্যের ব্যপার।
ভয়ানক এই দুর্ঘটনার মুখে পড়লেও কোন হেলদোল নেই তার। হাসপাতালে সে তার বাবাকে জানিয়েছে যে জ্ঞান ফেরবার পর সে নিজেকে জলের মধ্যে খুঁজে পায়।
ডাক্তারেরা জানিয়েছে এখন সে পুরোপুরি সংকটমুক্ত। খুব শীঘ্রই সে সুস্থ হয়ে যাবে বলেও তাদের আশা। উদ্ধারকারী দলের এক প্রতিনিধি জানালেন যে সাঁতার না জেনেও তরূণীর এই বাঁচার কাহিণী সত্যিই রহস্যজনক।

রণদেব বসু ইস্টবেঙ্গল ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক এবং প্রাক্তন রনজি ক্রিকেটার পলাশ নন্দী মোহনবাগানের কোচ হিসাবে নিযুক্ত হলেন……



বাংলার ক্লাব ক্রিকেটে দলবদলের পালা শুরু। নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতিতে স্পোটিং ছেড়ে আগামী মরসুমের জন্য ইস্টবেঙ্গল এলেন রণদেব বসু।
কি বলছেন রণদেব----“ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাব সবচেয়ে ভালো ছিল। যথেষ্ট সন্মানও আমাকে দেওয়া হয়েছে। তাই এখানে খেলার সিদ্ধান্ত নিলাম। তবে স্পোর্টিংয়ের বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই”।
তার দাবী-----অধিনায়ক হওয়ার পরই তিনি দলে চাইছেন দীপ দাশগুপ্তকে। এছাড়াও, আই সি এল ফেরৎ ক্রিকেটার অভিষেক ঝুনঝুনওয়ালাও রয়েছেন তার পছন্দের তালিকায়।
আর পনেরো বছর পর আবার আসন্ন ক্রিকেট মরসুমের জন্যে মোহনবাগানের প্রশিক্ষকপদে নিযুক্ত হলেন বাংলার হয়ে রনজি খেলা পলাশ নন্দী। বাংলার প্রাক্তন কোচ পলাশ একমাত্র মোহনবাগান ছাড়া আর কোনও ক্লাবে কোচিং করাননি।
কি বলছেন পলাশ----‘পুরনো ক্লাব নতুন চ্যালেঞ্জ। টিমলিস্ট দেখেছি। দল বেশ ভালো।’

বাইক বাহিনী নিয়ে তদন্তের নির্দেশ চিদান্বরমের…



রেলমন্ত্রীর দাবী ফেলতে পারল না কেন্দ্রীয় সরকার। শুরু হল লালগড়ে সি পি এমের বাইকবাহিনীর দাপিয়ে বেড়ানোর বিষয়ে তদন্ত।
গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন “আমার সহকর্মী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লালগড়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেটা আমাকে দিয়েছেন।আমি অভিযোগ গুলি খতিয়ে দেখে প্রধানমন্ত্রীকে আমার মতামত জানাব,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও কথা বলব”। সহকর্মীর দাবীকে যথাযথ সন্মান জানিয়ে শুরু হল তদন্ত।
গতকাল লোকসভার স্পিকার মীরা কুমারের সর্বদলীয় বৈঠকের পরে রেলমন্ত্রী বললেন, “লালগড়ে যৌথবাহিনীর অভিযানের অজুহাতে সি পি এম তাদের ক্যাডার বাহিনী ঢোকাচ্ছে। সি পি এমের মাফিয়া গুন্ডারা বাইকে চেপে এলাকায় সন্ত্রাসের আবহাওয়া তৈরী করেছে”।
কিন্তু ঘটনাটি ঠিক কি? যে সব অঞ্চলে কেন্দ্র এবং রাজ্যের যৌথবাহিনী ঢুকছে, পেছনে প্রবেশ করেছে সি পিএমের বাইকবাহিনীর মিছিল। এরকমই একটি মিছিল কয়েকদিন পূর্বে চোখে পড়ে গোয়ালতোড় এলাকায়। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এই ছবি প্রকাশের পর গোয়ালতোড় জোনাল কমিটির প্রতিক্রিয়া-সেখানে কোনও মিছিল পার্টি করেনি। তাদের যুক্তি, সেখানে ১৪৪ ধারা ছিল।
কিন্তু কেন তারা ঢাকতে চাইছেন এই ঘটনাকে? বিরোধীদের মতে, বাইকবাহিনী সম্পর্কে ওই এলাকার অভিজ্ঞতা খুবই খারাপ। প্রশ্ন উঠেছে, কোন উদ্দ্যেশে গোয়ালতোড় সংলগ্ন এলাকায় বাইক মিছিল করল সিপিএম। এটা কি পেশীশক্তির প্রদর্শন নাকি ভয় কাটিয়ে ওঠবার চেষ্টা।

Wednesday, July 1, 2009

পুরভোটে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল বামফ্রণ্ট...



দমদমে ভুঁশ...,দক্ষিণ দমদমে ডুবু ডুবু, মহেশতলা ফস্কে গেল- পৌরভোটে কার্যত গোটা দক্ষিণবঙ্গেই নিশ্চিহ্ন সিপিএম তথা বামফ্রণ্ট। পশ্চিম দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরই তাদের এখন একমাত্র সান্ত্বনা।
এই যা! এটাও নিভে গেল। বিধানসভা ভোটের পূর্বে বামফ্রণ্টের মাটি আঁকড়ে ধরার শেষ আশাটুকুও দপ্‌ করে নিভে গেল। সৌজন্যে কি কং-তৃণমূল জোট?

‘লাল দুর্গ’ বলে পরিচিত বেশীর ভাগ পুরসভাতেই তারা ধাক্কা খেয়েছে৷ সেই পুরসভাগুলি ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল-কংগ্রেস জোট। বেশীর ভাগ পুরসভাতেই বিরোধী জোট ব্যাপক টক্কর দিয়েছে শাসক জোটকে। খবর পাওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ দমদম হাতছাড়া হয়েছে বামফ্রন্টের। সেখান থেকে মাত্র ৮ টি আসন পেয়েছেন বামেরা। উল্টো দিকে তৃণমূল-কংগ্রেস জোট কিন্তু ২০ টি আসন পেয়েছে৷

ইসমাইলপুরেও বাড়বাড়ন্ত বিরোধী জোটের। সেখানেও ১৭ টি আসন ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল-কংগ্রেস জোট। আর বামেরা পেয়েছে ৩টি আসন৷ এখনও কয়েক জায়গার ফলাফল ঘোষিত হওয়া বাকি রয়েছে। জয়ের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আনন্দে মেতেছে তৃণমূল-কং সমর্থকেরা।

দিল্লীতেও বিক্ষোভের মুখে সিপিএম......



ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গের, কিন্তু বিক্ষোভের মুখে পড়লেন দিল্লীতে। অবাক হবার কিছু নেই, কারণ এটি সিপিএমের নেতৃত্বদের কাছে প্রথম অভিজ্ঞতা নয়।
এবার লালগড়ে যৌথবাহিনীর অভিযান নিয়ে দিল্লীতে বিক্ষোভের মুখে পড়ল সি পি (আই)এম। প্রায় দুবছর আগে নন্দীগ্রাম নিয়েও একই রকম বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তারা। গত মঙ্গলবার সেই একই ঘটনার পূনরাবৃত্তি ঘটল। এবারেও বিক্ষোভকারীদের ভূমিকায় সেই নক্সালপন্থীরাই।
লালগড় আধিবাসীদের উপর যৌথবাহিনীর অভিযানের বিরুদ্ধে নক্সালপন্থীরা সিপিএমের সদর দফতর একে গোপালন ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তিনটি সংঠন গুলির মধ্যে ছিল “রেভিলিউশানারি ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট,আরভি এফ,নওজয়ান ভারতসভা প্রোগ্রেসিভ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন ও জওহরলাল নেহুরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা। ঘটনাটি ঘটে দুপুর ১২ টা নাগাদ। পুলিশ আগের থেকে খবরটা জানতে পেরেই সকাল থেকে গোলমার্কেটের সামনে এ কে জি ভবন ঘিরে ফেলে। পাশাপাশি রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া সত্বেও সিপিএম দফতরের সামনে বিক্ষোভকারীরা প্ল্যার্কাড,পোস্টার নিয়ে স্লোগান দিতে শুরু করে।
সেখানে হাজির ছিলেন পলিটব্যুরোর কয়েকজন সদস্য এবং চলছিল গুরুত্বপুর্ন আলোচনা। ঠিক তখনই বিক্ষোভকারীরা সিপিএম “মুর্দাবাদ” বলে চিৎকার শুরু করে। বিক্ষোভকারীরা ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে। পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পোষ্টারে লেখা ছিল লালগড়ের সাধারণ মানুষের অত্যাচারের কথা। মন্দিরমার্গ থানার পুলিশা এদের মধ্যে থেকে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে।
পূর্বের ঘটনার পরেই পুলিশি ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল গোপালন ভবনের সামনে। তারপরে গত কয়েকমাসে পুলিশের ঘেরাটোপ থেকে অনেকটাই মুক্ত হয়েছিল এই ভবন। কিন্তু কে জানত! নন্দীগ্রামের স্মৃতি নিভতে না নিভতেই এই ভবনের শান্তি বিঘ্নিত করতে প্রস্তুত হয়েছিল এই লালগড়।

টেস্ট ক্রিকেট হতে পারে চার দিনের......



ক্রিকেটের ‘মিনিপ্যাক’ টি-টোয়েন্টি যে ইতিমধ্যেই টেস্ট ক্রিকেটের জনপ্রিয়তায় থাবা বসাতে শুরু করেছে, এটা বুঝে গেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কর্তাব্যক্তিরা। তাই টেস্ট ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছেন তারা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে টেস্ট ক্রিকেট ফিরে যেতে পারে তার পুরণো দিনে। পাঁচদিনের পরিবর্তে আবার চারদিনের টেস্টম্যাচ। উল্লেখ্য,কিছুদিন পূর্বে পরীক্ষামূলক ভাবে দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আই সি সি।
সম্প্রতি এক ভারতীয় পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আই সি সি প্রধাণ ডেভিড মরগ্যান জানিয়েছেন যে, খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটতে চলেছে টেস্ট ক্রিকেটে। কয়েক দিন আগে লন্ডনে আই সি সির সাধারণসভায় সনাতন এই ক্রিকেটকে ঢেলে সাজানোর কথা বলা হয়েছে। পরীক্ষামূলক ভাবে দিনে রাতে টেস্ট ম্যাচ করার পাশাপাশি একে দুটি স্তরে ভাঙ্গার কথাও ভেবে দেখছেন বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষকর্তারা।
অখুশি ভারতীয় ক্রিকেটমহল-
আই সি সিকে এই নিয়ে প্রথমেই সমালোচনার মুখে পড়তে হল। সমালোচক ভারতীয় ক্রিকেট মহল। প্রাক্তন কোচ ও ভারতের হয়ে খেলা অংশুমান গায়কোয়াড়-এর মতে এই পরির্বতনের কোন প্রয়োজন নেই।
আর এক প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক মালহোত্রা বলেন যে, চারদিনের টেস্ট ম্যাচ হাস্যকর। এটা মেনে নেওয়া যায়না। তবে তিনি দিন-রাতের টেস্টকে স্বাগত জানিয়েছেন।

রপ্তানি কমেছে মালদার আমের......



মালদার সুস্বাদু আমের খ্যাতি দুর-দুরান্তে ছড়িয়ে পড়লেও এবছর তার রপ্তানি নিয়ে চিন্তিত বাংলার ব্যবসায়িক মহল। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, এ বছর এই আমের রপ্তানি শুধুমাত্র বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ। যেখানে মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং অন্যান্য রাজ্যের আম ইতিমধ্যেই পাড়ি দিয়েছে ইউ কে, আমেরিকার মতো দেশে। সেখানে বাংলার এই বিখ্যাত আম বাংলাদেশ ব্যতীত আর অন্য কোথাও বাজার জমাতে পারলনা-কেন? সমস্যা কোথায়। এ নিয়ে তদন্তে নেমে ‘কাট্‌স ইন্টারন্যাশনাল’ সম্প্রতি জানিয়েছে যে, এখানকার আমের প্যাকেজিং উন্নতমানের নয়। তাই এবার এটি বিদেশে পাড়ি জমাতে পারেনি। যদি উপযুক্ত মানের প্যাকেজিং এবং যথোপযুক্ত মার্কেটিং করা যায় তাহলে ভবিষ্যতে নিঃসন্দেহে এই আম বিদেশী বাজারের নজর কাড়তে পারবে। এছাড়াও উৎপাদনকারীরা সহজে সরকারী সাহায্য পেতে পারবে। ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট, কোল্ড চেইন এর মতো উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারও তারা সহজে করতে পারবে।
এ নিয়ে ‘কাটস ইন্টারন্যাশনাল’ ইতিমধ্যেই কোলকাতায় এক ওয়ার্কশপের আয়োজন করেছিল।
সেখানে উপস্থিত ব্যবসায়িক মহলের প্রতিনিধিরা এ নিয়ে সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এছাড়া এক কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তারা আশাবাদী, ফিরতি বছরে বাংলার গর্ব মালদার এই আম অনায়াসেই বিশ্বের অনেক দেশের বাজার দখল করবে।