Monday, August 31, 2009

বেলজিয়াম গ্রান্ডপ্রিক্সে সাফল্য পেল ফোর্স ইন্ডিয়া......



ফর্মুলা ওয়ানের বেলজিয়াম গ্রান্ডপ্রিক্সের রেসে সাফল্য পেল ফোর্স ইন্ডিয়া৷ জমকালো এই আয়োজনে খেলোয়াড় গেয়ানসার্লো ফিসিকেলা চালিত ফোর্স ইন্ডিয়া দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে৷

চমৎকার আবহাওয়া ছিল ৷ ঝকঝকে রোদ ঝলমলে আকাশ৷ রবিবার এমন এক আবহাওয়ায় ফর্মূলা ওয়ানের অন্যতম দীর্ঘ এবং সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ট্র্যাক বলে পরিচিত এই পর্বে ফেরারির কিমি রাইকনন জিতে নিলেন প্রথম স্থান৷ অবশ্য এর আগেও তাদের হাতেই বিজয়ের মালা গিয়েছিল৷ ম্যাচে জিতে রাইকনন এর কথা, আমাদের জন্য এই বিজয় একটি বড় বিষয়৷ সব চালকেরই স্বপ্ন থাকে এই বিজয়ের৷ কারণ এখানে গাড়ি চালানো খুবই রোমাঞ্চকর৷ ফেরারিকে বলা হয় বিশ্ব চাম্পিয়ন৷ রেডবুলের এস ভিটেল পেয়েছেন তৃতীয় স্থান৷ তিনি ছিলেন দ্বিতীয় স্থানধারীর কাছ থেকে মাত্র ২ দশমিক ৯ সেকেন্ড পেছনে৷
কিংফিশারের মালিক শিল্পপতি বিজয় মালিয়া হচ্ছেন ফোর্স ইন্ডিয়ার প্রধান৷ বিজয় মালিয়া হচ্ছেন এই দলের সব কিছু৷ ভারতের কোন দল এই প্রথমবারের মত এই প্রতিযোগিতায় জয়ের খাতায় নাম লেখালো৷ দলের বিজয়ী ড্রাইভার গেয়ানসার্লো ফিসিকেলা বললেন,আমার মনে হয় আরও একটু ভালো চালালেই প্রথম কাতারে চলে যেতে পারতাম৷ তারপরেও দু:খ নেই৷ সামনে আরও এগিয়ে যেতে হবে...আর সেটা হবে দ্রুততার সঙ্গে৷

প্রতিবন্ধী শিশুর পরিমাণ বাড়ছে পাঞ্জাবে-সৌজন্যে ইউরেনিয়াম




পাঞ্জাবে দিনের পর দিন প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম ও কয়লা চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির মধ্যে সম্পর্কের রহস্যটি সম্প্রতি এক তদন্তের ফলে জনসমক্ষে উন্মোচিত হয়েছে।
পাঞ্জাবের ভাতিন্ডা ও ফরিদকোটের স্বাস্থ্যকর্মীরা সেখানকার শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা এবং ক্যান্সার রোগ নিয়ে খুবই চিন্তিত।
কিন্তু জার্মানীর এক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা চালানোর পর জানা যায় যে অতিরিক্ত মাত্রায় ইউরেনিয়ামই তাদের এই প্রতিবন্ধকতার কারণ। পরীক্ষার পর এও জানা গেছে যে তাদের শরীরে এর পরিমাণ স্বাভাবিকের থেকে ৬০ গুন বেশী।
সম্প্রতি রাশিয়ার এক নিউক্লিয়ার রিসার্চ ইনস্টিটিউশন এক রিপোর্টে বলেছেন যে কয়লা চালিত তাপ-বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি থেকে তরঙ্গের সৃষ্টি হয় তা মানুষের বসবাসের ক্ষেত্রে খুবই ক্ষতিকারক।এছাড়াও এর থেকে ইউরেনিয়ামের পরিমাণও স্বাভাবিকের থেকে বেড়ে যায়।২৪ মিলিয়ন মানুষের বাস এই স্থানে ভূমি গর্ভস্থ জলে ইউরেনিয়ামের পরিমাণ প্রায় ১৫ গুণ বেশী।
এই প্রতিবন্ধী শিশুদের চিকিৎসা হয়ে থাকে ভাতিন্ডার বাবা ফরিদের চিকিৎসালয়ে। এখানকার অনেক শিশুই জন্মগ্রহন করে হাইড্রোফলি, মাইক্রোফলি, সেরিব্রাল পলসি প্রভৃতি রোগ নিয়ে।
ফরিদাকোটের এক ক্লিনিকের ডঃ প্রিতপাল সিং জানিয়েছেন যে এখানে দূষনের পরিমাণ নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে।এই সমস্যা নিরসনে ভারত সরকারের অনীহা সাধারণ মানুষদের আরও দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।উল্লেক্ষ্য, সরকার পাঞ্জাব সহ ভারতের অনেক স্থানে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু সম্প্রতি পারমাণবিক শক্তির কয়েকজন বিঞ্জানী ঐ এলাকা ঘুরে গিয়ে জানিয়েছেন যে পানীয় জলে ইউরেনিয়ামের পরিমাণ খুব একটা বেশী বা উদ্বেগজনক নয়।যা খুবই বিস্ময়কর।

Saturday, August 29, 2009

দুর্গা দুর্গে দর্গতিনাশিনী......







হিন্দুধর্মে দেবী দুর্গা (সংস্কৃত: दुर्गा, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ: যিনি দুর্গ অর্থাৎ সঙ্কট হতে ত্রাণ করেন; পুরাণ অনুযায়ী: যিনি দুর্গ নামক অসুর বিনাশ করেছেন) পরমা প্রকৃতি ও সৃষ্টির আদি কারণ। দুর্গা সাধারণত দশভূজা, দশপ্রহরণধারিনী ও সিংহবাহিনী। হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাস অনুসারে তিনি শিবের স্ত্রী পার্বতী, কার্তিকগণেশের জননী, এবং কালী অন্যরূপ। পুরাণ অনুসারে তিনি তিনবার মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন।
দুর্গার
আরাধনা বাংলা, অসম এবং বিহারের কোনো কোনো অঞ্চলে প্রচলিত। ভারতের অন্যত্র দুর্গাপূজা নবরাত্র উৎসব রূপে উদযাপিত হয়। সম্ভবত খ্রিষ্টীয় দ্বাদশ-ত্রয়োদশ শতাব্দীতে বাংলায় দুর্গোৎসব প্রবর্তিত হয়। বাংলায় দুর্গা মহিষাসুরমর্দিনী রূপে পূজিতা হলেও তাঁর কাত্যায়নী মূর্তিরই পূজা হয়। মহিষমর্দিনীর প্রতিমা বর্তমানে তামিলনাড়ুতে প্রচলিত।
দুর্গা মূলত
শক্তি দেবী। বৈদিক সাহিত্যে দুর্গার উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে দুর্গার বিশেষ আলোচনা ও পূজাবিধি তন্ত্র ও পুরাণেই প্রচলিত। যেসকল পুরাণ ও উপপুরাণে দুর্গা সংক্রান্ত আলোচনা রয়েছে সেগুলি হল: মৎস্যপুরাণ, মার্কণ্ডেয় পুরাণ, দেবীপুরাণ, কালিকাপুরাণদেবী-ভাগবত। তিনি জয়দুর্গা, জগদ্ধাত্রী, গন্ধেশ্বরী, বনদুর্গা, চণ্ডী, নারায়ণী প্রভৃতি নামেও পূজিতা হন। বছরে দুইবার দুর্গোৎসবের প্রথা রয়েছে – আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে শারদীয়া এবং চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে বাসন্তী দুর্গাপূজা।

রাজনাথের বিদায় এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা......




আগামী নভেম্বরে বি জে পির জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকে দলের শীর্ষে নেতৃত্বে পরিবর্তন হবে তা একরকম নিশ্চিত ছিল৷ তবে বর্তমানে দলে যে ভাবে নতুন করে সঙ্কটে'র মধ্যে পড়েছে তাতে নভেম্বরে'র আগেও দলীয় নেতৃত্বে পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে৷ শুক্রবার দফায় দফায় বি জে পি নেতারা গিয়ে সংঘ প্রধানের সঙ্গে দেখা করে দলীয় অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন৷ উল্লেখ্য এদের মধ্যে যারা দলীয় শীর্ষ পদের দাবিদার তারা সকলেই ব্যাক্তিগত ভাবে সংঘ প্রধানের সঙ্গে দেখা করে দ্রুত রাজনাথকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছেন৷ সংঘ সূত্রে পাওয়া খবর অনুসারে সরাসরি আদবানি'র বিরুদ্ধে কিছু না বললেও ঘুরিয়ে আদবানিকে দায়ী করেছেন৷ এদের আগেই সংঘ প্রধানের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন রাজনাথ সিং৷ এদিকে বি জে পি যে সকল নেতা ব্যক্তিগত ভাবে গিয়ে সংঘ প্রধানের সঙ্গে দেখা করেছেন তারা সকলেই কিন্তু দলের সর্ব্বোচ পদের দাবিদার৷ সকলেও দলীয় সঙ্কটের সুযোগ নিয়ে নিজেদের দাবি জানাতে তত্পর৷ জানা গিয়েছে রবিবার আদবানির সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন সংঘ প্রধান৷ এখন দলের সঙ্কটে এমন একজন নেতা বি জে পি খুঁজছে যার ভাবমূর্তি উজ্বল ও দলের উপরে কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারবেন৷ তবে এমন কোন নেতা এখন সংঘে পেয়েছেন বলে জ আনা যায় নি৷ দলের দ্বিতীয় প্রজন্মে'র নেতারা যে ভাবে নিজেদের মধ্যে শীর্ষ পদে যাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা শুরু করেছে তা যে আর এস এস সর্মথন করছে না তা পরিস্কার করে দিয়েছেন দলীয় মুখপাত্র রামমাধব৷ রাম মাধব বলেন, বিজেপি'র অভ্যন্তরের সমস্যা নিয়ে কোন সময়ে সরাসরি ভাবে কোন ভূমিকা থাকে না সংঘের৷ তবে সমস্যার থেকে বিজেপিকে বাঁচাতে অবশ্যই পথ নির্দেশিকা দেওয়ার কথা বিবেচেনা করা হচ্ছে৷ বর্তমান অবস্থায় রাজনাথের বিদায় যে শুরু সময়ের অপেক্ষা তা পরিস্কার করে দিয়েছেন৷

যশোবন্তের পাশে দাঁড়ালেন মেনকা......




সিমলার চিন্তন বৈঠকে চিন্তার প্রথম ফসল ছিল জিন্না সম্পর্কে বই লিখে দেশ ভাগের জন্য জহলাল নেহেরু সহ বল্লভ ভাই প্যাটেলকে দায়ী করার অভিযোগে বি জে পি নেতা যশোবন্ত সিং'কে দল থেকে বহিস্কার করা৷ বহিস্কারের পর বেশ কিছু সময় কেটে গেলেও কিন্তু প্রকাশ্যে কোন বি জে পি নেতা যশোবন্ত সিং'র সর্মথনে এগিয়ে আসে নি৷ যদিও যশোবন্ত বারংবার দাবি করেছেন একাধিক শীর্ষ বি জে পি নেতা তার সঙ্গে নিয়মিত ভাবে যোগাযোগ রাখেন৷ এমন কি দলীয় সিদ্ধান্তের তারা নীতিগত ভাবে বিরোধী৷ যদি তাদের নাম কোন সময় প্রকাশ্যে আনে নি যশোবন্ত সিং৷ এবার কিন্তু বি জে পি নেত্রী মেনকা গান্ধী সরাসরি সাংবাদিকদের জানিয়ে দিয়েছেন যে অপরাধে যশোবন্ত সিং'কে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে তা কোন ভাবে সর্মথন করা যায না৷ অতীতে দেখা গিয়েছে ব্যক্তি বিশেষ ঘটনার সঙ্গে দলীয় মতাবাদের সঙ্গে ব্যক্তি মতবাদ এক হচ্ছে না৷ তবে তার জন্য কোন ব্যক্তিকে দল থেকে বহিস্কার অ-বিবেচকের মত সিদ্ধান্ত৷ দল থেকে বহিস্কার হওয়ার পরে সাংবাদিকদে'র সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে যশোবন্ত সিং যে প্রসঙ্গ তুলেছিলেন সেই প্রসঙ্গ তুলেছেন মেনকা গান্ধী৷ তিনি বলেন বই প্রকাশ হওয়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে যশোবন্ত সিং'কে বহিস্কার করা হল৷ যারা বহিস্কার করলেন তারা বইটা পড়ে দেখলেন না, এটা অন্যায় করা হয়েছে৷ অন্তত দল থেকে বহিস্কার হওয়ার মত অপরাধ এই ঘটনা নয়৷ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সরাসরি আদবানি'র কথা না বললেও বুঝিয়ে দিয়েছেন বৈঠকে দলের সিনিয়ার নেতাদের আরও সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত ছিল৷

বিয়ে করতে চলেছেন শিল্পা......।






এবার বলিউডের গ্ল্যামারকন্যা শিল্পা শেঠি সত্যি সত্যিই বিয়ের ফাঁদে পা দিচ্ছেন৷ পাত্র ব্যবসায়ী রাজ কুন্দেরা৷
বলিউডের বাজারে শিল্পাকে নিয়ে গুজব উড়ছিলই৷ বিভিন্ন পার্টিতে, এদিক ওদিক নানান রেস্তোরাঁয়, মাঝে মধ্যেই ছিপছিপে লম্বা, জিরো ফিগারের মালিক শ্রীমতী শিল্পাকে দেখা যাচ্ছিল হাসিমুখ, গালে তিন চারদিনের না কাটা দাড়ি,‘হট অ্যান্ড হিউমিড' রাজ কুন্দেরার বাহুলগ্না হয়ে ঘুরে বেড়াতে৷ বাতাসে খবর উড়ছিল, শিল্পা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে৷
শেষমেষ সিদ্ধান্ত ঘোষিত হল সম্প্রতি৷ জানা গেল যে বহু ফ্যানের হার্টথ্রব ‘টল অ্যান্ড ফেয়ার অ্যান্ড সেক্সি' শিল্পা শেঠি এবার বিয়ে করছেন৷ বিয়ে করছেন তাঁর সাম্প্রতিক পছন্দ রাজ কুন্দেরাকেই৷ লন্ডনে জনান্তিকে কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে শিল্পা বলেছেন, রাজের সঙ্গে এতদিন কোর্টশিপ করে তাদের দুজনেরই নাকি মনে হয়েছে, এই সম্পর্ক জন্ম জন্মান্তরের৷ জন্ম জন্মান্তরের এই সম্পর্ককে আর কতদিন ঠেকিয়ে রাখা যায় ? অতএব ছাঁদনাতলা, গায়ে হলুদ আর বিয়ের শাঁখে ফুঁ পড়ল বলে৷ জানা গেছে বিয়ে হবে এই বছরেই৷ ডিসেম্বর মাসে৷



বিয়ে হবে কিন্তু দেশে হবে না৷ যথারীতি প্রবল জাঁকজমক, হৈচৈ আর বিপুল অর্থব্যয়ের এই চমক দেওয়া বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন হচ্ছে লন্ডনে৷ শিল্পার কাজকর্ম, মানে অভিনয়, মডেলিং বা টিভি শো ইত্যাদির কাজটাজ তাঁর যে মুখপাত্র দেখেন, তিনি এই বিয়ের ভেনু নিয়ে মুখ খোলেন নি বটে কিন্তু শিল্পা নিজেই এক বিনোদন টেলি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে জানিয়েছে, লন্ডন শহরটাকেই নিজের বিয়ের জন্য উপযুক্ত বলে মনে করে থাকেন ‘চুরা কে দিল মেরা...' গানের সঙ্গে ফাটাফাটি নেচে দর্শক মজিয়ে দেওয়া এই বলিউডি তন্বী৷
বহু যুবকের হৃদয় ভেঙে দিয়ে রাজ কুন্দেরার সঙ্গে শিল্পা যে শেষ পর্যন্ত গাঁটছড়া বাঁধলেন তার কোন বিশেষ কারণ টারণ আছে নাকি ? নিন্দুকেরা বলছেন, এর কারণ নাকি অনেক৷ সেটা হল, এক তো রাজ কুন্দেরা প্রবল ধনী এবং সফল ব্যবসায়ী৷ টিনা মুনিম থেকে শ্রীদেবী বলিউডের সফল নায়িকাদের ব্যবসায়ী বিয়ে করার একটা ঐতিহ্য আছে৷ শিল্পাও সেই লাইনে পা দিয়েছেন৷ আর দ্বিতীয় কারণটা হল শিল্পার ব্যক্তিগত একটা দুর্বলতা৷ শিল্পা দামী গয়নার প্রতি একটু বেশি মাত্রায় আকৃষ্ট৷ সে তো সব সুন্দরীই গয়নাগাঁটি পছন্দ টছন্দ করেন, তাতে দোষের কি আছে ? কিন্তু শিল্পার পছন্দ হল ডিজাইনার গয়না৷ আর রাজ কুন্দেরার ব্যবসাই হল ওই গয়নাগাঁটি নিয়ে৷ সুতরাং, শিল্পাকে বিয়ে করার জন্য রাজ কুন্দেরাকে বেশি বেগ পেতে হবে না৷ তার ওই গয়নাসাম্রাজ্যই তৈরি করে দিয়েছে বিবাহের কুসুমাস্তীর্ণ রঙিন পথ৷ যে পথে রাজ শিল্পা জুটির পা ফেলা শুরু হবে আগামী ডিসেম্বরে, লন্ডনে৷

বৈদিক ভিলেজ কাণ্ডে দিশেহারা সিপিএম-অন্তর্দন্দ্ব বাড়ছে দলে........

বৈদিক ভিলেজের জমি কেলেঙ্কারি ১৬ বছর আগের রশিদ কাণ্ডের মতোই সিপিএমে কাঁপুনি ধরিয়েছে। ১৯৯৩ সালে বউবাজার বিস্ফোরনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সাট্টা ডন রশিদ খানের সঙ্গে সিপিএমের ছোট বড় বহু নেতা এবং রাইটার্স বিল্ডিংসের কর্তাদের খাতিরের সম্পর্ক ফাঁস হোয়ার পর দলে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।পার্টি ও পুলিশের প্রশ্রয়ে কলকাতা জুড়ে সাট্টার কারবার চালাত রশিদ।আর বোইদিক ভিলেজ কাণ্ডে রাজারহাট এলাকায় গফ্‌ফর মোল্লাদের মতো জমি মাফিয়াদের সঙ্গে পার্টির নেতা কর্মীদের নাম জুড়ে গিয়েছে।স্থানীয় প্রশাসন ও রাইটার্সের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এই পরিস্থিতিতে পার্টির কেলেঙ্কারি চাপা দিতে বিরোধীদের ঘাড়ে দোষ চাপানোর খেলায় মেতেছে সিপিএম। এদিনই আবাসন মন্ত্রী তথা সিপিএমের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গৌতম দেব সাংবাদিক সন্মেলন ডেকে বৈদিক ভিলেজ কাণ্ডে ৮ দফা প্রশ্ন তুলেছেন।তাঁর বক্তব্য, সরকারকে এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।তাঁর প্রশ্ন রিসর্টের জন্য ১৫০০ একর জমি কেন লাগবে তা ভাবাই যায়না।এছাড়াও কোন শর্তে রিসর্টকে জমি লিজ দেওয়া হয়েছে ভূমি ও ভূমি সংস্কার মন্ত্রীকে তা বলতে হবে বলে তার দাবি। জোর করে জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ নিয়ে পুলিশ কি ব্যবস্থা নিয়েছে-সেই প্রশ্নও রেখেছেন তিনি।
এছাড়াও সিপিএম লোকজনের অভিযুক্তদের কি সম্পর্ক ছিল তাও পার্টিকে জবাব দিতে হবে।
গৌতমবাবুর বক্তব্য খুবই তাৎপর্য্যপূর্ণ। দলের কৃষকসভার রাজ্য সভাপতি মদন ঘোষ বলেন যে বে-আইনী জমি খাস ঘোষনা করেও কেন তাদেরই লিজ দেওয়া হয়েছে তা খতিয়ে দেখা দরকার।ওখানে সরকারের হয়ে বেসরকারি সংস্থার জমি জোগাড়ের প্রক্রিয়া সম্পর্কেও তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।